👉,নামাজে সূরা কিরাত, দোয়া ,দরুদ ,ইত্যাদি যা যা পড়া হয় তার প্রত্যেকটা শব্দে শব্দে খেয়াল করে পড়া, বে -খেয়ালীর সাথে মুখস্ত থেকে না পড়া!
👉২, নামাজের প্রত্যেক রোকন ও কাজ মাসআলা অনুযায়ী হচ্ছে কিনা তার প্রতি খুব খেয়াল রেখে আদায় করা!
👉৩, আমি আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে আছি আল্লাহ আমার নামাজের সব কিছু দেখছেন কেয়ামতের দিন এই নামাজের সব কিছুর পুঙ্খানু পুঙ্খ হিসাব তার কাছে দিতে হবে এই ধ্যান জাগ্রত রাখা,
👉 ৪, প্রতিটি রুকনকে ‘শেষ নামাজ’ মনে করা, যে এই নামাজ হয়তো আমার জীবনের শেষ নামাজ
👉৫, ধীরে ও অর্থ-বুঝে
তিলাওয়াত করা,সূরা ফাতিহা ও ছোট ছোট সূরা গুলোর অর্থ জানলে মনোযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে
বাড়বে। খুব দ্রুত না পড়ে ধীরে ও পরিষ্কার করে পড়া
👉৬, সিজদা দীর্ঘ করা, সিজদা হলো আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী অবস্থা।২–৩ সেকেন্ড বাড়িয়ে সিজদা করলে মন একাগ্র হয় এবং হৃদয়ে প্রশান্তি আসে।
.jpg)
0 comments:
Post a Comment